পাহাড়ি ঢল
শেরপুরে সেতু ভেঙে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ৩ জন
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ভারি বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চেল্লাখালী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল স্রোতে নদীর ওপর নির্মিত একটি বেইলি সেতু ভেঙে পড়লে দুই শিশুসহ তিনজন নদীতে পড়ে যান। পরে তাঁরা সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে রক্ষা পান। সেতু ধসে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
রাঙ্গামাটিতে কমেনি বন্যার পানি, পানিবন্দি ২০ সহস্রাধিক মানুষ
রাঙ্গামাটিতে টানা ভারী বর্ষণ কমলেও এখনো স্বাভাবিক হয়নি বন্যা পরিস্থিতি। জেলার বাঘাইছড়িসহ একাধিক উপজেলায় এখনো ২০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্লাবিত এলাকায় ব্যাহত হচ্ছে জরুরি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম।
বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, লালমনিরহাটে বন্যার শঙ্কা
ভারতের গজলডোবা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা, ঢল ও জোয়ারে জনজীবন বিপর্যস্ত
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরী ও আশপাশের উপজেলাগুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায়ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারী বৃষ্টিতে শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ
টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও সম্ভাব্য ভূমিধসের ঝুঁকি বিবেচনায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এ সময় পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ ও দুর্গম এলাকায় পর্যটকদের প্রবেশ ও ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জামালপুরে ফুঁসছে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র: প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি
জামালপুরে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শত শত হেক্টর ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়ক, যার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নদী তীরবর্তী হাজারো মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।